Call for Ads | ads@sufis.tv

news Archive

৪০টি মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিচালনা করছে হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট

হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট দেশজুড়ে ৪০টি মাদ্রাসা ও এতিমখানাসহ ৫০টিরও বেশি সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। হাজার হাজার এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থী এসব মাদ্রাসায় উন্নত শিক্ষা, মানসম্পন্ন খাবার, আবাসস্থলসহ যাবতীয় সকল সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। কম্পিউটারসহ আধুনিক শিক্ষা উপকরণের ব্যবহার মাদ্রাসাগুলোকে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার আলোকে গড়ে তুলেছে। মেধাবীদের জন্য নিয়মিত প্রদান করা হচ্ছে শিক্ষাবৃত্তি। প্রতিবছরই এ মাদ্রাসাগুলো থেকে শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল করে আসছে এবং উচ্চশিক্ষা লাভ করে ইসলামের খেদমতে কাজ করছেন।
ট্রাস্টের চেয়ারম্যান, সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী বলেন, তাদের কার্যক্রম আরো সম্প্রসারিত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বিত্তবানসহ সকলকে শিক্ষার্থীদের ভরণপোষণে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
মাদ্রাসায় সহযোগিতা পাঠানোর বিকাশ ও নগদ নম্বরঃ 01711690215

কঠিন পরিস্থিতিতেও আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখাই ঈমানের পরিচয় – খুতবায় সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী

যুবকদের উদ্দ্যেশ্যে সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানীর ৫টি অমূল্য বাণী

যুবকদের উদ্দেশ্যে, শাহ্সূফি সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী এর
৫টি মূল্যবান বাণী………………..

১. পিতা-মাতার প্রতি অবশ্যই পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা, ভালবাসা রাখতে হবে এবং তাদের প্রতি দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করতে হবে। পিতা-মাতার সন্তুষ্টি ব্যতীত, মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায় না।

২. শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় মনোযোগী হতে হবে। কারণ শিক্ষিত জাতিই সুন্দর ভবিষ্যৎ উপহার দিতে পারে। সন্তানদের ঘিরে পিতা-মাতার যে স্বপ্ন রয়েছে, আমি তার বাস্তবায়ন দেখতে চাই।

৩. নামায, রোজার পাশাপাশি, প্রিয় নবিজীর (সাঃ) আদর্শ অনুযায়ী, মানবিক কার্যক্রমগুলোতেও অংশগ্রহণ করতে হবে। সাহায্য-সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

৪. সন্ত্রাস, দুর্নীতি, জঙ্গীবাদ, মাদক, যৌতুক, ইভ টিজিং সহ সকল প্রকার মানবতা বিরোধী কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে। এসবের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

৫. দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ। তাই দেশের প্রতি পরিপূর্ণ ভালবাসা রেখে, দেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্যগুলো পালন করতে হবে।

Mainia Youth Forum, Gazipur Distributes Eid Gift

In accordance with the direction of Syed Saifuddin Ahmed Al Hasani, chairman of Hazrat Syed Mainuddin Ahmed Maizbhandari Trust, Mainia Youth Forum has been working throughout the country to assist the helpless people in this crisis situation of COVID-19. They have been distributing food goods, sanitizer, soap, mask, raising mass awareness & helping the farmers in harvesting paddy.
Mainia Youth Forum, Gazipur branch observed all those programmes. On 21st May, 2020 they’ve distributed food assistance among 200 helpless families as a gift of Eid-ul-Fitr.

Mainia Youth Forum Gazipur had distributed food assistance among 200 helpless families as a gift of Eid-ul-Fitr.

জুমাতুল বিদার মহৎ গুরুত্ব ও ফজিলত

নিজস্ব প্রতিবেদক, সূফীজ টিভি

জুমুআ’ আরবি শব্দটির বাংলা অর্থ শুক্রবার আর ‘বিদা’ অর্থ শেষ। জুমাতুল বিদা অর্থ শেষ শুক্রবার। মাহে রমজানের শেষ জুমার দিনটি আমাদের সমাজে জুমাতুল বিদা নামে পরিচিত। যদিও পরিভাষাটি কোরআন বা হাদিসের প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষ কোনো বর্ণনায় পাওয়া যায় না।তারপরও মোবারক মাস রমজানের শেষ জুমার দিন হিসেবে এর গুরুত্ব কম নয়। রমজান আর জুমা একত্রে মিলিত হয়ে দিনটিকে করে তুলেছে সীমাহীন মহিমাময়।
উম্মতে মোহাম্মাদীর জন্য মহান আল্লাহর শ্রেষ্ঠ উপহার হিসেবে বছর ঘুরে আসা মাহে রমজান আর তার সঙ্গে যুক্ত সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন ইআওমুল জুমা। তাই জুমাতুল বিদায় প্রত্যেকটা মুমিন মুসলমানের বিশেষ তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। মসজিদে জামাতের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করা এবং বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা ও নিজের আত্মার আকুতি দয়াময় প্রভুর দরবারে পেশ করাই যেন এ দিনে সব মুসলমানের পরম আগ্রহের বিষয়।
জুমাতুল বিদার মহত্ত্ব: দু’টি কারণে জুমাতুল বিদা অত্যন্ত মহিমাময়। (১) মাহে রমজানের কারণে: রমজান মাস সীমাহীন ফজিলতের মাস এবং এটি উম্মতে মোহাম্মাদীর জন্য মহান আল্লাহর বিশেষ উপহার স্বরূপ। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, নিশ্চয়ই তোমাদের রব বলেছেন, বনি আদমের প্রত্যেকটি নেক-আমলের সওয়াব দশগুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত দেওয়া হয় শুধু রোজা ছাড়া। কেননা রোজা শুধুই আমার জন্য, আর আমি নিজেই এর প্রতিদান দেবো।
আর নিশ্চয়ই রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মেশ্ক আম্বারের চেয়েও বেশি প্রিয়। তোমাদের কারো রোজা থাকা অবস্থায় যদি কেউ তার সঙ্গে জাহেলের মতো আচরণ করে তাহলে সে বলে দদেবে, আমি একজন রোজাদার। (সহিহ আল-বোখারি, হাদিস: ৫৯২৭, সহিহ মুসলিম, হাদিস ১১৫১, মুসান্নেফে ইবনে আবি শাইবা, হাদিস: ৮৮৯৪, মুসনাদে আহমাদ: ৯৭১৪) আর জুমার দিনের মাহাত্ম্য সম্পর্কে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সূর্যদয়ের মাধ্যমে যে দিনগুলো হয় তার মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন।
এই দিনে হজরত আদমকে (আ.)সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং এই দিনেই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল এবং এই দিনেই তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল। আর এদিনের মধ্যে এমন একটি সময় আছে, যখন কোনো মুসলমান নামাজরত অবস্থায় দোয়া করলে অবশ্যই তার দোয়া কবুল করা হয়। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৪৯১) রমজান মাসে রোজা অবস্থায় জুমার দিনের নিশ্চিত দোয়া কবুলের শেষ সুযোগ হিসেবে জুমাতুল বিদা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

করণীয়: জুমার দিনের কিছু সুন্নত আমল রয়েছে। যেমন (১) সাবান দিয়ে ভালো করে গোসল করতে হবে (২) নতুন বা উত্তম পোশারক পরতে হবে (৩) আতর তথা সুগন্ধি ব্যবহার করতে হবে (৪) হেঁটে মসজিদে যেতে হবে (৫) আগে আগে মসজিদে প্রবেশ করতে হবে (৬) ইমামের কাছাকাছি জায়গায় বসতে হবে। 

তবে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে এখন অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে করতে হবে (৭) ইমামের খুৎবা মনোযোগ সহকারে শুনতে হবে (৮) বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করতে হবে (৯) কাউকে কষ্ট দেওয়া যাবে না, কোনো অনর্থক কাজ করা যাবে না। হজরত আওস ইবনে আওস আস-সাকাফি (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। 

তিনি বলেন আমি রাসুলুল্লাহকে (সা.) বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি জুমার দিনে ভালো করে গোসল করবে এবং আগে আগে পায়ে হেঁটে মসজিদে যাবে এবং ইমামের কাছাকাছি বসে খুৎবা মনোযোগ সহকারে শুনবে আর কোনো রকম অনর্থক কাজ করবে না তাকে তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে লাগাতার এক বছর নামাজ ও রোজার সওয়াব দান করা হবে। (সুনানে ইবনে মাযা, হাদিস: ১০৮৭, সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৪৫, আস্-সুনানুল কুবরা, হাদিস: ১৭০৩, সুনানে নাসাঈ, হাদিস: ১৩৮৪, মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ১৬১৭৬, সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস: ২৭৮১)